আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
চিলমারীতে এমপিও ভূক্ত বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার ভিসা কার্ডধারী শিক্ষক এবং কর্মচারীরা ঈদ উৎসব ভাতা উত্তোলনে ব্যর্থ হওয়ায় সোনালী ব্যাংক, চিলমারী শাখা পিএলসির লোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। ঋনের বকেয়া, কিস্তি ও লাভ সহ বিভিন্ন হিসাবের অজুহাতে প্রতিমাসেই এই কর্মকর্তা ঋণগ্রহীতাদের সংগে অসদাচরণ করে ভিসা কার্ড লক সহ বিকাশের এ্যাডমানিতেও লক করে হয়রানি করান। এমনকি মাসের কিস্তির সময় না হলেও কোন মাসে আগাম বেতন বরাদ্দ হলেই ঋনের কিস্তি কর্তন করেন। এ ব্যাপারে উক্ত কর্মকর্তার নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কিছু করিনা, যা করার হেড অফিস থেকে করা হয়। তথ্য যাচাই করে এ কথার সত্যতা পাওয়া যায়নি। অস্বচ্ছ এ কর্মকর্তার নাম আব্দুস সোবহান বলে জানা গেছে। ২১/০৫/২০২৬ ইং চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার বোনাসের ম্যাসেজ ব্যাংক থেকে প্রদান করা হয়। ভিসা কার্ডধারী মাদ্রাসার কর্মচারী আনোয়ারুল ইসলাম পাশের ইসলামিক বুথে বিকেল ৪ টা ৫৬ মিনিটে উৎসব ভাতার টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে জানতে পারেন কার্ডে কোন ব্যালেন্স নাই। তাৎক্ষনিক ভাবে ৫টা ৪ মিনিটে সোবহানের ০১৭৬৫৯০৬৬২৬ নাম্বারে ২ বার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। বাধ্য হয়ে ব্যাংকের গেটে গেলে নিয়ম করা অনিয়মের মাঝেও তাকে ফোন রিসিভ করার জন্য মারফতে খবর পাঠালে ৫টা ১২ মিনিটে তিনি মোবাইল কল রিসিভ করে বলেন, কার্ড হেড অফিস থেকে বন্ধ আছে, আপনি ২৩/০৫/২০২৬ ইং শনিবার আসেন। ঈদের বোনাস কর্তন করে নেওয়ার ঘটনা অনেকের সংগে উক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সোবহান বরাবরই এভাবেই করেন। উৎসব ভাতা সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের একান্তই অধিকার। কথিত ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অজস্র অনৈতিকতার অভিযোগ পাওয়া যায়। তাই এ অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত অস্বচ্ছ কর্মচারী সোবহানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অসংখ্য শিক্ষক ও কর্মচারীগন জোর দাবী জানিয়েছেন।
