কারা অধিদপ্তরের আইজিপি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইন ভঙ্গ করে দুর্নীতি ও সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে অশালীন আচরণ




জাকিরুল ইসলাম বাবু, জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুর জেলা কারাগারে দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশ কারা কর্তৃপক্ষের আইজিপি প্রিজন বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় কারাগারের দুর্নীতি মুক্ত করার জন্য দুজন সি আই ডি ওরফে (পি আই ও) নিয়োগ দিয়ে পাঠিয়েছেন। কারাগারের প্রশাসন থেকে শুরু করে কারাগারের বন্দীদের মধ্যে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয় উদঘাটন করে সংশ্লিষ্ট আইজিপির দপ্তরে পাঠানোর জন্য আর সেই সিআইডি সহ আরো ৬ জন কারারক্ষী দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত এমন অভিযোগ করে বলেন ভুক্তভোগীরা। বিশেষ করে রাজবন্দী যারা তাদের ক্ষেত্রে বেশি হয় যে বিষয়টা জামিনে মুক্ত হয়ে জেল গেট পার হওয়ার আগে দুইজন সিআইডি ও মেন গেটে থাকা কারারক্ষী,গোয়েন্দা সংস্থার ডিজিএফ আই,ডিএসবি,এনএসআই,ডিবির,নাম ব্যবহার করা সহ ভয় দেখিয়ে বলে,তোমাদেরকে উঠিয়ে নেওয়ার জন্য মাইক্রোবাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
           
তোমাদেরকে গোয়েন্দা সংস্থার হাত থেকে রক্ষা করে গেট পার করে দিতেপারি,বিনিময়ে আমাদেরকে এক থেকে দেড় লাখ টাকা দিতে হবে, রাজি থাকলে বলো নয়তো তোমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সমস্ত লোক নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে..যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো তারা দের লাক্ষ টাকা দিয়ে জেল গেট পার হয়ে আসে আর যাদের আর্থিক অবস্থা মোটামুটি তারা ১লাক্ষ টাকা দিয়ে গেট পার হয়। যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা কোনরকম তাদের ৫০ হাজার টাকা গুনতে হয়।

সত্যি কথা বলতে জেলখানায় মধ্যে পরিবার রেখে কেউই থাকতে চায় না। 
কারাগারে মধ্যে একটু ভালো থাকা জন্য যেতে হবে মেডিকেলে আর সেখানে থাকতে হলে আপনাকে গুনতে হবে মাসে ২০ হাজার টাকা আর নরমাল কোনো ওয়ার্ডে ভালো একটা সিটি থাকতে চাইলে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হয় তাহলে ভালো থাকা সম্ভব।

মেডিকেলে অসুস্থ রোগীদের রাখার কথা থাকলেও সেখানে রাখা হয় ভালো লোকদেরকে টাকার বিনিময়ে আর একটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করে দেখবেন জামালপুর জেলা কারাগারে ইতিমধ্যে কয়েকজন মারাও গিয়েছে তাদেরকে মেডিকেলে রেখে ভালো চিকিৎসা দিলে হয়তোবা আজ তারা বেঁচে ফিরতেন। 

ক্যান্টিনে রান্না করা গরুর মাংস ২৫০০টাকা আর এক কেজি মিরকা মাছ কিনতে হলে তাদের কে দিতে হবে ৭০০টাকা থেকে ৮০০ টাকা,দুইটা খাবারের বিষয় দিয়েই বুঝালাম বাকি গুলো বুঝে নিবেন আশা করি। এখন বাহিরের ক্যান্টিনে ১০০গ্রাম চা পাতার ৯০টাকা কিনতে হয়। যাহার বর্তমান বাজারে মূল্য ৬০টাকা। 

কারা অধিদপ্তরে আই জি পি প্রিজন পরিবারের সাথে সাক্ষাতের নিয়ম করে দিয়েছেন,হাজতি আসামিরা ১৫দিন পর পর তাদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবেন এবং সাজা প্রাপ্ত কয়েদিরা তাদের পরিবারের সাথে দেখা করতে পারবে ৩০দিন পর পর,সেখানে আইজি প্রিজনের,আইন অমান্য করে,৫০০থেকে ২হাজার টাকা দিলেই সাক্ষাৎ করিয়ে দেয় দুর্নীতিবাজ সিআইডি ও কারারক্ষী। 
ইমারজেন্সি অকালতনামায় স্বাক্ষর করাতে হলে,         সিআইডি ও কারারক্ষীদেরকে দিতে হবে ২০০থেকে ৩০০ টাকা। 

ভুক্তভোগী একজনের গত মাসে জামিনে মুক্তি পাওয়ার রাজবন্দী জামালপুরে কর্মরত এডিএম এর আত্মীয় তার নাম (সানোয়ার),পিতার,নাম (জরিপ) তার গ্রামের বাড়ি ইসলামপুর উপজেলায় তার সাথে তার পরিবারের সাক্ষাৎ করানোর জন্য এডিএম তার ফোন থেকে ফোন দিয়ে সুপারিশ করেন জামালপুর জেলা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে তার পরেও সানোয়ারের টাকা দিয়েই সাক্ষাৎ করতে হয়।
মহিলা ওয়ার্ডে ডলি নামের এক পতিতাপল্লীর সর্দারনীকে প্রতিদিন সাক্ষাৎ করিয়ে দেয় ২হাজার টাকার বিনিময়ে

এই বিষয়ে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে এবং প্রধান গেট থেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভিতরে গেলে পরবর্তীতে শাহ আলী নামে এক কারারক্ষী সাংবাদিকদের ওপর তেরে এসে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে। তারই একটি ভিডিও ক্লিপ তুলে ধরা হলো। 

এ বিষয়ে কারা অধিদপ্তরের আইজিপি প্রিজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সুস্থ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। 
أحدث أقدم